শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি-আরবি যুক্ত করা হবে : জামায়াতের আমির
- আপলোড সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৯:৪১:০১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৯:৪১:০১ পূর্বাহ্ন
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
ক্ষমতায় গেলে বেকারদের কর্মোপযোগী করতে শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও আরবি যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এ জন্য আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা থাকবে না। এটি সাধারণ, মাদ্রাসা - সব জায়গায় করা হবে।
রবিবার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলার পাড় এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় শফিকুর রহমান এ কথা বলেন। জনসভার আয়োজন করে জামায়াতের ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের নির্বাচনী কমিটি।
শিক্ষাব্যবস্থায় ইংরেজি ও আরবি যুক্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, সারা দুনিয়ায় তারা (প্রবাসী কর্মী) গেলে সম্মানের সাথে কর্মসংস্থান হয় এবং দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে, সে জন্য তাদের হাতকে দক্ষ হাত হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ জন্য আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা থাকবে না। এটি সাধারণ, মাদ্রাসা - সব জায়গায় করা হবে।
ঘরে, চলাচলে ও কর্মস্থলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিতেরও প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, নারীদের জন্য রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে ‘ইভিনিং (সান্ধ্যকালীন) বাস সার্ভিস’ চালু করা হবে। সরকারি ডাবল ডেকার বাসের নিচতলা মেয়েদের জন্য সংরক্ষণ করা হবে।
জামায়াতের আমির বলেন, দেশে এখন নতুন একটি পেশা খুব ভালো চলছে। সেটি চাঁদাবাজি। যারা এই পেশায় যুক্ত, তারা যেন ভালো পথে ফিরে আসে। তাদের হালাল রুজির ব্যবস্থা করা হবে। যদি এই পথ বাদ না দেয়, জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের লাল কার্ড দেখানো হবে।
চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতে এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য জামায়াত দুটি অ্যাপ খুলেছে বলেও জনসভায় জানান শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একটি অ্যাপ খোলা হয়েছে চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতে। এই অ্যাপে যারা তথ্য দেবে, তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, আরেকটি অ্যাপে জনগণের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানানো যাবে। সেটি যথোপযুক্ত জায়গায় চলে যাবে। যার কাছে যাবে, তার দায়িত্ব হবে সেই সমস্যার সমাধান করা। আর জামায়াতের জনপ্রতিনিধিদের ছয় মাসে একবার জনগণের মুখোমুখি করা হবে। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হয়ে পাঁচ বছরে একবার এসে এলাকাবাসীকে সালাম দেওয়া চলবে না। নির্বাচনের সময় আসলে মানুষের নরম অনুভূতিকে পুঁজি করা যাবে না।
জামায়াতের আমির আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরে জামায়াত প্রতিশোধ না নেওয়া, মামলা-বাণিজ্য না করা, চাঁদাবাজি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো জামায়াত রক্ষা করেছে। যারা এসব প্রতিশ্রুতি রাখতে পারছে না, তাদের যেন জনগণ বিশ্বাস না করে।
জনসভায় জামায়াতের আমির ঢাকা-৪ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী কামাল হোসেনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং তাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
জনসভায় ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, নিরাপদ ঢাকা গড়ে তোলার জন্য আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে হবে। আর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে এবং ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে।
ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী কামাল হোসেন বলেন, ক্ষমতায় গেলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বাওয়ানী ও করিম জুট মিল খুলে দেওয়া হবে। ঢাকা-৫ আসনে সরকারি কলেজ ও হাসপাতাল করা হবে। ঢাকা-৫ আসনকে পরিকল্পিত নগরায়ণের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

সুনামকন্ঠ ডেস্ক